০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরের মধুখালীতে শিপন বিশ্বাসের সঙ্গীত জীবনের অদম্য লড়াই

 

পার্থ রায়ঃ ফরিদপুরের মধুখালীর গর্ব শিপন বিশ্বাসের সঙ্গীত জীবনের অদম্য লড়াই ।সঙ্গীত কেবল শব্দের মালা নয়, এটি হলো এক শিল্পীর অস্তিত্বের প্রকাশ। আমাদের মধুখালীর কৃতি সন্তান, প্রতিভাবান মিউজিক কম্পোজার শিপন বিশ্বাস-এর গল্পটি ঠিক এমনই।

অনেকের কাছে তিনি প্রিয় ‘শিপন জেআর’ নামে পরিচিত—যে নামটি বয়োজ্যেষ্ঠ গুণীজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের দেওয়া এক আশীর্বাদ, যা তার প্রতি তাদের গভীর স্নেহ ও ভালোবাসার প্রতীক।

শিপন বিশ্বাসের এই পথচলায় তার সবচেয়ে বড় শক্তি তার পরিবার। মা-বাবা এবং দাদার অকুন্ঠ সমর্থন তাকে প্রতিটি পদক্ষেপে সাহস জুগিয়েছে। তার গানের গীতিকবিতার মূল কারিগর স্বয়ং তার দাদা। শুধু শব্দেই নয়, শিপনের গানের প্রতিটি ভিডিওকে একটি পূর্ণাঙ্গ চলচ্চিত্রের রূপ দিতে তার দাদা একজন সিনেমাটিক ভিডিওগ্রাফার ও ভিডিও ডিরেক্টর হিসেবে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। প্রতিটি গানের দৃশ্যপট তৈরি থেকে শুরু করে ভিডিওর চূড়ান্ত রূপদান পর্যন্ত—সবকিছুই তার দাদার শৈল্পিক পরিচালনায় প্রাণ পায়। দাদার এই নান্দনিক দৃষ্টিভঙ্গি ও সৃজনশীলতা শিপনের গানকে দিয়েছে এক অনন্য মাত্রা। এই পারিবারিক মেলবন্ধনই শিপনের সৃজনশীলতার মূল প্রাণশক্তি।

শিপন বিশ্বাস বলেন, “আমার গুরুজি, মধুখালীর শ্রদ্ধেয় শ্রী শ্যামল ভৌমিক-এর প্রতি আমার শত কোটি প্রণাম ও ভালোবাসা। তিনিই আমার সুরের জগতকে আলোকোজ্জ্বল করেছেন।” এই কৃতজ্ঞতা কেবল গুরুর প্রতিই নয়, তার মিউজিক জীবনের সঙ্গী অরবিন্দ মন্ডল এবং বিশ্বজিৎ বিশ্বাসসহ তার সকল মিউজিক্যাল বন্ধুদের প্রতিও তিনি কৃতজ্ঞ। তাদের অকৃত্রিম সহযোগিতা ছাড়া এই যাত্রা অনেক কঠিন হতো।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

কালিগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস অনুষ্ঠিত

ফরিদপুরের মধুখালীতে শিপন বিশ্বাসের সঙ্গীত জীবনের অদম্য লড়াই

প্রকাশের সময়ঃ ০৭:০৭:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

 

পার্থ রায়ঃ ফরিদপুরের মধুখালীর গর্ব শিপন বিশ্বাসের সঙ্গীত জীবনের অদম্য লড়াই ।সঙ্গীত কেবল শব্দের মালা নয়, এটি হলো এক শিল্পীর অস্তিত্বের প্রকাশ। আমাদের মধুখালীর কৃতি সন্তান, প্রতিভাবান মিউজিক কম্পোজার শিপন বিশ্বাস-এর গল্পটি ঠিক এমনই।

অনেকের কাছে তিনি প্রিয় ‘শিপন জেআর’ নামে পরিচিত—যে নামটি বয়োজ্যেষ্ঠ গুণীজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের দেওয়া এক আশীর্বাদ, যা তার প্রতি তাদের গভীর স্নেহ ও ভালোবাসার প্রতীক।

শিপন বিশ্বাসের এই পথচলায় তার সবচেয়ে বড় শক্তি তার পরিবার। মা-বাবা এবং দাদার অকুন্ঠ সমর্থন তাকে প্রতিটি পদক্ষেপে সাহস জুগিয়েছে। তার গানের গীতিকবিতার মূল কারিগর স্বয়ং তার দাদা। শুধু শব্দেই নয়, শিপনের গানের প্রতিটি ভিডিওকে একটি পূর্ণাঙ্গ চলচ্চিত্রের রূপ দিতে তার দাদা একজন সিনেমাটিক ভিডিওগ্রাফার ও ভিডিও ডিরেক্টর হিসেবে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। প্রতিটি গানের দৃশ্যপট তৈরি থেকে শুরু করে ভিডিওর চূড়ান্ত রূপদান পর্যন্ত—সবকিছুই তার দাদার শৈল্পিক পরিচালনায় প্রাণ পায়। দাদার এই নান্দনিক দৃষ্টিভঙ্গি ও সৃজনশীলতা শিপনের গানকে দিয়েছে এক অনন্য মাত্রা। এই পারিবারিক মেলবন্ধনই শিপনের সৃজনশীলতার মূল প্রাণশক্তি।

শিপন বিশ্বাস বলেন, “আমার গুরুজি, মধুখালীর শ্রদ্ধেয় শ্রী শ্যামল ভৌমিক-এর প্রতি আমার শত কোটি প্রণাম ও ভালোবাসা। তিনিই আমার সুরের জগতকে আলোকোজ্জ্বল করেছেন।” এই কৃতজ্ঞতা কেবল গুরুর প্রতিই নয়, তার মিউজিক জীবনের সঙ্গী অরবিন্দ মন্ডল এবং বিশ্বজিৎ বিশ্বাসসহ তার সকল মিউজিক্যাল বন্ধুদের প্রতিও তিনি কৃতজ্ঞ। তাদের অকৃত্রিম সহযোগিতা ছাড়া এই যাত্রা অনেক কঠিন হতো।