
মানিকগঞ্জঃ মানিকগঞ্জে সাকিবুল নামে ১৬ বছরের এক কিশোরকে (অটোরিকশা চালক) নৃশংসভাবে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
বুধবার (১ জুলাই) সিংগাইর থানা পুলিশ সংবাদ পেয়ে সিংগাইর উপজেলার গোলাই এলাকার একটি পাটক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।
নিহত সাকিবুল মানিকগঞ্জ সদর উপজেলারবেতিলা-মিতরা ইউনিয়নের নাথুরা গ্রামের টুলু মিয়ার ছেলে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম।
ধারনা করা হচ্ছে হত্যাকাণ্ডের পর দুর্বৃত্তরা মরদেহটি পাটক্ষেতে ফেলে রেখেছিলো । তবে কী কারণে এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে তা নিয়ে জনমনে রহস্য দানা বেঁধে উঠেছে। কারণ, মরদেহের পাশেই নিহতের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও অটোরিকশাটি অক্ষত অবস্থায় পড়েছিল।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলে কিশোর সাকিবুল অটোরিকশা নিয়ে রোজগারের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয় । কিন্তু গভীর রাত হয়ে গেলেও সে বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা চরম উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তারা আত্মীয়-স্বজনসহ সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে মধ্য রাতের পর সিংগাইর থানা পুলিশের মাধ্যমে তারা জানতে পারেন, গোলাই এলাকার একটি পাটক্ষেতে সাকিবুলের লাশ পড়ে রয়েছে।
সাধারণত অটোরিকশা চালকদের হত্যা করে গাড়ি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে থাকে। কিন্তু সাকিবুল হত্যাকান্ডে অটোরিকশা ও মোবাইল ফোনটি ঘটনাস্থলেই পড়ে ছিলো। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় এক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, সংবাদ পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্তলে যায়। মরদেহটি উদ্ধার করে তার সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
তিনি আরো জানান,মরদেহের পাশে তার গাড়ি ও ফোন পাওয়া গেছে।হত্যাকাণ্ডটি কোন ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে নাকি এর পেছনে পূর্ব শত্রুতা বা অন্য কোনো রহস্য রয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।ঘটনাটি আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে ইতিমধ্যে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।
এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে নিহতের পরিবার সহ এলাকায় কান্নার রোল পড়েযায় । এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ ওমর ফারুক। প্রকাশক কর্তৃক বি,এস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবী সার্কুলার রোড , ঢাকা- ১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ২ আর কে মিশন রোড (৫ম তলা) থেকে প্রকাশিত।
© All rights reserved © 2017 Alokito Kantho