মানিকগঞ্জঃ মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে পদ্মানদীর ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ দুর্দশা স্বচোক্ষে দেখে গেলাম। এখানকার জনগনের দাবি স্থায়ীবাধ নির্মান করা। কিন্তু এটা প্রতিকার করা খুব সহজনয়। দ্রুত কিছু জিও ব্যাগ ফেলে যদিও সাময়িক প্রতিকার করা যাবে কিন্তু এতে কোন লাভ হবে না। কারণ এখানকার পুড়টাই হচ্ছে বালু। তবে আগামী শুস্ক মৌসুমে কি করা যায় তার একটা পরিকল্পনা রয়েছে।
সোমবার দুপুরে হরিরামপুর উপজেলার ল্যাছড়াগঞ্জ ইউনিয়নের সেলিমপুর এলাকায় নদী ভাঙ্গন কবলিত মানুষের মাঝে বিনামূল্যে শুকনা খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হরিরামপুর- সিংগাইর মানিকগঞ্জ -২ আসনের সংসদ সদস্য মাঈনুল ইসলাম খান শান্ত এমপি এসব কথা বলেন।
হরিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার এর সভাপতিত্বে মাঈনুল ইসলাম খান এমপি আরো বলেন, মাননীয় প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় ভাঙ্গন কবলিত মানুষের দুঃখ দুর্দশা স্বচক্ষে দেখার জন্য আমরা এসেছি। এখানকার অসহায় জনগনের কাছে সহমর্মিতা প্রকাশ করার জন্য কিছু শুকনা খাদ্য সামগ্রী সহায়তা প্রদান করেছি। তাদেরকে অন্যান্নভাবে সাহায্য সহযেগিতা করার চেস্টা চলছে।
ভাঙ্গন রোধে স্থায়ীবাধ সম্পর্কে তিনি জানান, আমরা স্থানীবাদ কিভাবে করা যায় সেইপথে হাটছি । আর স্থায়ীবাদ করতে গেলে পরিকল্পনা, ডিজাইনের ব্যাপার রয়েছে। তবে অচিরেই এটা দৃশ্যমান হবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, মানিকগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আখতারুজ্জামান।এ সময় উপস্থিত ছিলেন হরিরামপুর থানা বিএনপির সাবেক আহবায়ক রতন, হরিরামপুর থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি হান্নান মৃধা, গালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিক বিশ্বাস সহ বিএনপি'র বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
শেষে নদীভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত তিনশত পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে শুকনাখাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রনালয়ের সহযোগিতায় উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ হরিরামপুর এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ ওমর ফারুক। প্রকাশক কর্তৃক বি,এস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবী সার্কুলার রোড , ঢাকা- ১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ২ আর কে মিশন রোড (৫ম তলা) থেকে প্রকাশিত।
© All rights reserved © 2017 Alokito Kantho