
ঢাকাঃ আদালতের রায় পক্ষে থাকা সত্বেও নিজের জায়গায় যেতে না পারার কারণে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী নিলয় আহমেদ ফারমান।
মঙ্গলবার (০২ ডিসেম্বর) আশুলিয়ার টংগাবাড়ি এলাকায় তার নিজ অফিসে এই সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়। এসময় বেশ কয়েকবার হামলার শিকার হওয়া নিলয় আহমেদ ফারমান সাংবাদিকদের সামনে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমি নিলয় আহমেদ ফারমান, আমার দাদা মৃত গোলাপদী ১৯৬৬- ১৯৭৪ সালের মধ্যে মোট ৫ টা দলিলের মাধ্যমে তোফাজ্জল হোসেন টেপার (রশিদ এর বাবা) নিকট থেকে ১৪৩ শতাংশ সম্পত্তি ক্রয় করেন তারপর থেকে আমরা বিভিন্ন রেকর্ড আগত হলে আমাদের নামে রেকর্ড করে খাজনা দিয়ে ভোগ দখল করে আসতেছি।
কিন্তু ২০০৯ সালে এসে তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে আ:রশিদ গং রা হটাৎ করে বলে ওরা আমাদের কাছে জমি পায় এবং এ মর্মে একটা মামলা করে (৮৬৮/২০০৯)। তারপর কোর্টে কোন কাগজ পত্র দেখাতে না পারায় কোর্ট মামলা টি ২০১২ সালে খারিজ করে দেয়। ওরা পুনরায় আবার মামলাটি চালু করে আবারও কাগজপত্র না দেয়ায় কোর্ট মামলাটি ২০২২ সালে খারিজ করে দেয়। আবার ও একই জমি নিয়ে মামলা করলে কোর্ট কাগজ চাইলে ওরা মামলাটি উঠিয়ে নেয়।
এর মধ্যে ২০১৯ শে আমার বড় ভাই আ:আউয়াল মারা যায় এবং ২০২০ এর জুনে আমার বাবা মারা যায় এবং ২০২০ এর সেপ্টেম্বরের ১৬ তারিখ রশিদ গং ডিসি অফিসে আবেদন করলে আমি ওখানে গেলে ওরা ৭০-৮০জন লোক নিয়ে আমার ভাড়াটিয়া বাড়িতে হামলা করে। তখন আমি সি সি ক্যামেরায় এডিসি স্যার কে দেখালে তিনি আশুলিয়া থানায় ফোন করে এবং থানা থেকে পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে রশিদ এবং ওর ২ ভাতিজা রাশেদ এবং কাউসার কে এরেষ্ট করে এবং আমি আশুলিয়া থানায় একটি মামলা করি মামলা নং ৩৭/৯/২০। কোর্ট তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরন করে তারপর রশিদ জেল থেকে জামিন এ বের হয়ে আমাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধমকি দিতে থাকে। তারপর আবার ০৯-১২-২০২৪ সালে একইভাবে একই যায়গায় হামলা করে আমি ৯৯৯ ফোন করলে পুলিশ এসে রশিদ দের আমার বাড়ি থেকে বের করে দিয়ে যায়। তারপর আমি আবারও আশুলিয়া থানায় মামলা করি যা এখনো চলমান এবং ১৭-১২-২০২৪ এ রাত্রে বেলা লোকজন নিয়ে এসে আবার আমার বাড়ি দখলে নিয়ে নেয়। এর পর গত ০৩-১১-২৫ সালে ৩৭/৯/২০ মামলার রায় হয় এবং রশিদ এবং ওর ভাতিজাদের ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেয়। কিন্তু তার পরিবর্তে ১ বছরের প্রবিশন সাজা দেয় এর পর থেকে রশিদ গংরা আমাকে যেখানে দেখে ওখানেই মারতে যায় ওদের ভয়ে আমি আমার বাড়িতে যেতে পারিনা। বাড়িতে আমার মা ভাবি নাবালক ভাতিজা ভাতিজিদের জীবন ও হুমকির মুখে।
ওদের জমির কোন কাগজ নেই তারপরও ওরা জোর করে আমার বাড়িতে দখল করে বসে আছে। আমি এলাকায় গেলেই দা দিয়ে কোপাতে আসে। পরে আমি বাধ্য হয়ে বেপারটা মিডিয়াকে জানালে রশিদরা আরও ক্ষীপ্ত হয়ে যায় এবং সর্বশেষ গতকাল ১-১২-২৫ দিবাগত রাতে আমি বাড়ি গেছি শুনে লোকজন নিয়ে আমার উপর হামলা করে এবং প্রান নাশের হুমকি দেয়।
এমনকি যে এলাকাবাসিরা সাংবাদিকদের কে জবানবন্দি দিয়েছে তাদেরকেও হুমকি দিচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আমি সাংবাদিকদের মাধ্যমে এলাকাবাসী ও প্রসাশনের সহায়তা কামনা করছি।
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ 



















