০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চীনের সাথে সামরিক যোগাযোগ বাড়াতে আগ্রহী বাংলাদেশ; পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময়ঃ ০২:২৩:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৪
  • ১৪৬ বার পড়া হয়েছে

 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ  পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি চীনের সঙ্গে সামরিক যোগাযোগ বাড়াতে বাংলাদেশ আগ্রহী।

সোমবার (১৪ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক বিষয়ক এক সেমিনারে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উপস্থিত ছিলেন।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি চীনের সঙ্গে সামরিক যোগাযোগ বাড়াতে সরকার আগ্রহী।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ত্রিপক্ষীয় উদ্যোগ তেমন কাজে আসেনি উল্লেখ করে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে পাঠানোই একমাত্র সমাধান। এ কাজে বাংলাদেশ চীনের আরও আন্তরিক ও সক্রিয় ভূমিকা প্রত্যাশা করে।

সময় চীনে বাংলাদেশের রফতানি বাড়ানোর আহ্বান জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।

চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশের যে কোনো সংকটে পাশে ছিল চীন। কোভিড কিংবা জুলাই আন্দোলনেও চীনা কোম্পানিগুলোর কর্মকর্তারা বাংলাদেশ ছেড়ে যাননি। সব প্রকল্প সময়মতো শেষ হয়েছে।

তিনি বলেন, ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক আগের মতোই অব্যাহত থাকবে। অন্তর্বর্তী সরকারকে সব ধরনের সহযোগিতায় তার দেশ আগ্রহী বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে দুদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের নানা দিক নিয়ে কথা বলেন নীতিনির্ধারকরা। তারা জোর দেন দুই দেশের সম্পর্ক বাড়ানোর বিষয়ে।

অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য কর্ণফুলী টানেলের অর্থনৈতিক উপযোগিতা বাড়াতে চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক অঞ্চলে চীনের উদ্যোগ বাড়ানোর কথা বলেন।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

গাজী পরিবারের সুনাম ক্ষুন্ন করতে একটি চক্র ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচার চালাচ্ছে : গাজী স্বপন

চীনের সাথে সামরিক যোগাযোগ বাড়াতে আগ্রহী বাংলাদেশ; পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রকাশের সময়ঃ ০২:২৩:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৪

 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ  পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি চীনের সঙ্গে সামরিক যোগাযোগ বাড়াতে বাংলাদেশ আগ্রহী।

সোমবার (১৪ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক বিষয়ক এক সেমিনারে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উপস্থিত ছিলেন।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি চীনের সঙ্গে সামরিক যোগাযোগ বাড়াতে সরকার আগ্রহী।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ত্রিপক্ষীয় উদ্যোগ তেমন কাজে আসেনি উল্লেখ করে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে পাঠানোই একমাত্র সমাধান। এ কাজে বাংলাদেশ চীনের আরও আন্তরিক ও সক্রিয় ভূমিকা প্রত্যাশা করে।

সময় চীনে বাংলাদেশের রফতানি বাড়ানোর আহ্বান জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।

চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশের যে কোনো সংকটে পাশে ছিল চীন। কোভিড কিংবা জুলাই আন্দোলনেও চীনা কোম্পানিগুলোর কর্মকর্তারা বাংলাদেশ ছেড়ে যাননি। সব প্রকল্প সময়মতো শেষ হয়েছে।

তিনি বলেন, ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক আগের মতোই অব্যাহত থাকবে। অন্তর্বর্তী সরকারকে সব ধরনের সহযোগিতায় তার দেশ আগ্রহী বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে দুদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের নানা দিক নিয়ে কথা বলেন নীতিনির্ধারকরা। তারা জোর দেন দুই দেশের সম্পর্ক বাড়ানোর বিষয়ে।

অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য কর্ণফুলী টানেলের অর্থনৈতিক উপযোগিতা বাড়াতে চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক অঞ্চলে চীনের উদ্যোগ বাড়ানোর কথা বলেন।