১০:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আমরা বাংলাদেশি, এটিই আমাদের বড়ো পরিচয় ; খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম

 

মানিকগঞ্জঃ মানিকগঞ্জে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের প্রত্যেকটি মানুষকে একইভাবে দেখেন। এখানে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ বা খ্রিস্টান—এভাবে কোনো বিবেচনা করা হয় না। আমাদের সবার একটি পরিচয়,আমরা বাংলাদেশি। এটিই আমাদের বড়ো পরিচয়। আমাদের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ নেই। আমাদের ঐক্য ধরে রাখতে হবে। “মানিকগঞ্জে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবার মধ্যে একটি সুন্দর সম্প্রতি রয়েছে। এই সম্প্রীতি আমাদের সবাইকে ধরে রাখতে হবে।

শুক্রবার সকাল ১১টায় মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালীবাড়ী প্রাঙ্গণে শ্রী কৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী -২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ মানিকগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি প্রণব কুমার সিকদার এর সভাপতিত্বে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, “আপনাদের আন্তরিকতা,ভালোবাসা ও সহযোগিতার কারণে আমি আজ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে সংসদে যেতে পেরেছি। আপনারা আমাকে ভালোবাসা দিয়ে ঋণী করছেন, এখন সেই ঋণ আমাকে কমাতে হবে। দায়মুক্ত হওয়ার চেষ্টা করতে হবে।

এই দায়মুক্ত কমাতে হবে আপনাদের পাশে থেকে, আপনাদের জন্য কাজ করে। আমি সব সময় আপনাদের নিয়ে থাকতে চাই।”

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, “আপনারা বিগত দিনে যেভাবে আমার পাশে ছিলেন, এখনও আছেন এবং আগামীতেও পাশে থাকবেন,এটাই আমার প্রত্যাশা।

আবেগ ঘনকণ্ঠে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আপনাদের সুখের দিনে আমাকে না ডাকলেও চলবে, কিন্তু দুঃখের দিনে আমাকে ডাকবেন। আমি অবশ্যই আপনাদের ডাকে সাড়া দিয়ে পাশে থাকব।

শ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী অনুষ্ঠান সম্পর্কে তিনি বলেন, “আজকের মিলনমেলাটি অনেক সুন্দর হয়েছে। সবার মধ্যে একটি আনন্দের আবহ দেখে তিনি প্রসংসা করেন । এসময় খাদ্যমন্ত্রী আনন্দময়ী কালীবাড়ী পূজা উদযাপন কমিটিকে এক লাখ টাকা অনুদান প্রদান করেন। এছাড়া সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন দাবির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশনা দেন।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন অ্যাডভোকেট সুনীল কুমার, শ্রী কালীপদ ঘোষ, অনিল কুমার ও রঞ্জিত কুমার দে। অনুষ্ঠানে মানিকগঞ্জের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে খাদ্যমন্ত্রী বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের নিয়ে মানিকগঞ্জের বেউথা মসজিদ প্রাঙ্গণ এবং বেউথা-আন্ধারমানিক সড়কের পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

এ সময় তিনি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়নের লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং দলীয় নেতা-কর্মীসহ সর্বস্তরের জনগনকে বেশি করে বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

শেরপুরে অসহায়, দুস্থ ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে এমপি রাশেদুল ইসলামের চেক বিতরণ

আমরা বাংলাদেশি, এটিই আমাদের বড়ো পরিচয় ; খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম

প্রকাশের সময়ঃ ০৭:৩০:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

মানিকগঞ্জঃ মানিকগঞ্জে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের প্রত্যেকটি মানুষকে একইভাবে দেখেন। এখানে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ বা খ্রিস্টান—এভাবে কোনো বিবেচনা করা হয় না। আমাদের সবার একটি পরিচয়,আমরা বাংলাদেশি। এটিই আমাদের বড়ো পরিচয়। আমাদের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ নেই। আমাদের ঐক্য ধরে রাখতে হবে। “মানিকগঞ্জে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবার মধ্যে একটি সুন্দর সম্প্রতি রয়েছে। এই সম্প্রীতি আমাদের সবাইকে ধরে রাখতে হবে।

শুক্রবার সকাল ১১টায় মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালীবাড়ী প্রাঙ্গণে শ্রী কৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী -২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ মানিকগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি প্রণব কুমার সিকদার এর সভাপতিত্বে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, “আপনাদের আন্তরিকতা,ভালোবাসা ও সহযোগিতার কারণে আমি আজ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে সংসদে যেতে পেরেছি। আপনারা আমাকে ভালোবাসা দিয়ে ঋণী করছেন, এখন সেই ঋণ আমাকে কমাতে হবে। দায়মুক্ত হওয়ার চেষ্টা করতে হবে।

এই দায়মুক্ত কমাতে হবে আপনাদের পাশে থেকে, আপনাদের জন্য কাজ করে। আমি সব সময় আপনাদের নিয়ে থাকতে চাই।”

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, “আপনারা বিগত দিনে যেভাবে আমার পাশে ছিলেন, এখনও আছেন এবং আগামীতেও পাশে থাকবেন,এটাই আমার প্রত্যাশা।

আবেগ ঘনকণ্ঠে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আপনাদের সুখের দিনে আমাকে না ডাকলেও চলবে, কিন্তু দুঃখের দিনে আমাকে ডাকবেন। আমি অবশ্যই আপনাদের ডাকে সাড়া দিয়ে পাশে থাকব।

শ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী অনুষ্ঠান সম্পর্কে তিনি বলেন, “আজকের মিলনমেলাটি অনেক সুন্দর হয়েছে। সবার মধ্যে একটি আনন্দের আবহ দেখে তিনি প্রসংসা করেন । এসময় খাদ্যমন্ত্রী আনন্দময়ী কালীবাড়ী পূজা উদযাপন কমিটিকে এক লাখ টাকা অনুদান প্রদান করেন। এছাড়া সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন দাবির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশনা দেন।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন অ্যাডভোকেট সুনীল কুমার, শ্রী কালীপদ ঘোষ, অনিল কুমার ও রঞ্জিত কুমার দে। অনুষ্ঠানে মানিকগঞ্জের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে খাদ্যমন্ত্রী বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের নিয়ে মানিকগঞ্জের বেউথা মসজিদ প্রাঙ্গণ এবং বেউথা-আন্ধারমানিক সড়কের পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

এ সময় তিনি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়নের লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং দলীয় নেতা-কর্মীসহ সর্বস্তরের জনগনকে বেশি করে বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।