০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মানিকগঞ্জ হরিরামপুর উপজেলায় তারেক রহমানের ছবিসহ বিএনপির অফিস ভাঙচুর 

 

মানিকগঞ্জঃ মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যক্তিগত ক্ষোভে উপজেলা যুবদলের অফিস ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৩ রা জুন গত বুধবার উপজেলার চালা ইউনিয়ন পরিষদে পারিবারিক একটি বিচার কে কেন্দ্র করে উপজেলা বিএনপির কর্মী কাজী শিমুল এর সাথে উপজেলা যুবদলের কর্মী কাইয়ুম এর সাথে তুচ্ছ বিষয়ে মনমালিন্য ও কথা কাটাকাটি নিয়ে মারধরের ঘটনা ঘটেছে।এ ঘটনায় শিমুল কাজী আহত হন। পরবর্তীতে শিমুল কাজী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।

সম্ভবত তারই ধারাবাহিকতায় স্বরূপ সেই দিন রাত আনুমানিক ৯ টার দিকে আশিকুজ্জামান শিপু এর নেতৃত্বে উপজেলা যুবদলের অফিস, চেয়ার, সিসি ক্যামেরা, টেলিভিশন সহ তারেক রহমানের টাঙানো ছবিকে নষ্ট ও ভাংচুর করেছে বলে এমনটি অভিযোগ উঠছে। ভাঙচুরের ঘটনাটি ঘটে বর্তমান বিমান মন্ত্রীর এলাকায় এবং হরিরামপুর থানার কাছাকাছি।

মানিকগঞ্জ জেলার আহবায়ক সদস্য এবং হরিরামপুর উপজেলার বিএনপি’র সাবেক সভাপতি জনাব হান্নান মৃধা বলেন, ৫ই আগস্ট এর আগে যারা ছিল আওয়ামী লীগ তারা এখন বিএনপির পরিচয় দেয় কিভাবে এটা পরিচয় দেয়
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তদন্ত করে দেখা উচিত। আর যারা ভাঙচুরের সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, যারা এই কাজ করেছে তারা, মাদক, ছিনতাইকারী, চাঁদাবাজি, জমি দখল, ডাকাতি, চুরি, এবং অবৈধভাবে পদ্মা থেকে ড্রেজার এর মাধ্যমে বালি উত্তোলনের সাথে জড়িত রয়েছে। এবং পূর্বেও এসব কাজের সাথে এরা জড়িত ছিল। তিনি আরো বলেন , আমলীগের আইয়ুব খান, আকিবুল খান এবং মাসুমের নেতৃত্বে তারেক জিয়ার ছবি এবং বিএনপি অফিস ভাঙচুর করা হয়। ৩১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে এবং ৪০-৫০ জন অজ্ঞাত আসামি। তিনি আরো বলেন , পদ্মার বালু কাটার ইজারা যেখানে নেওয়া হয়েছে সেখানে চর তাহলে বালু কাটে কোথা থেকে। অর্থের মাধ্যমে সাংবাদিক ও প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই তারা এই অবৈধ কাজ করে।

অন্যদিকে এ ব্যাপারে আশিকুজ্জামান শিপু কে জিজ্ঞেসা করলে তিনি বলেন,যুবদলের অফিস ভাংচুরের ব্যাপারে আমি অবগত নেই পরে জানতে পেরেছি।

মানিকগঞ্জ জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কাজী মোশতাক হোসেন দীপু আরো জানান,বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।
বিশেষ করে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবিকে নষ্ট ও ভাংচুর করাতে দলীয় ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে বলে আমি মনে করছি।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলসকায় আতঙ্ক ও থমথম বিরাজমান।

এ বিষয়ে হরিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আফজাল হোসাইন মুঠোফোন বলেন,অফিস ভাংচুরের খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক নিয়ন্ত্রণ আনতে।ভুক্তভোগীদের পক্ষ হতে একটি মামলা রুজ্জু করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন,আমাদের কার্যক্রম চলমান প্রক্রিয়াধীন।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

শেরপুরে বিশ্ব পর্যটন দিবসে ‘আমাদের শেরপুর’ সেলফি কর্নারের উদ্বোধন

মানিকগঞ্জ হরিরামপুর উপজেলায় তারেক রহমানের ছবিসহ বিএনপির অফিস ভাঙচুর 

প্রকাশের সময়ঃ ০১:৩২:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

 

মানিকগঞ্জঃ মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যক্তিগত ক্ষোভে উপজেলা যুবদলের অফিস ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৩ রা জুন গত বুধবার উপজেলার চালা ইউনিয়ন পরিষদে পারিবারিক একটি বিচার কে কেন্দ্র করে উপজেলা বিএনপির কর্মী কাজী শিমুল এর সাথে উপজেলা যুবদলের কর্মী কাইয়ুম এর সাথে তুচ্ছ বিষয়ে মনমালিন্য ও কথা কাটাকাটি নিয়ে মারধরের ঘটনা ঘটেছে।এ ঘটনায় শিমুল কাজী আহত হন। পরবর্তীতে শিমুল কাজী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।

সম্ভবত তারই ধারাবাহিকতায় স্বরূপ সেই দিন রাত আনুমানিক ৯ টার দিকে আশিকুজ্জামান শিপু এর নেতৃত্বে উপজেলা যুবদলের অফিস, চেয়ার, সিসি ক্যামেরা, টেলিভিশন সহ তারেক রহমানের টাঙানো ছবিকে নষ্ট ও ভাংচুর করেছে বলে এমনটি অভিযোগ উঠছে। ভাঙচুরের ঘটনাটি ঘটে বর্তমান বিমান মন্ত্রীর এলাকায় এবং হরিরামপুর থানার কাছাকাছি।

মানিকগঞ্জ জেলার আহবায়ক সদস্য এবং হরিরামপুর উপজেলার বিএনপি’র সাবেক সভাপতি জনাব হান্নান মৃধা বলেন, ৫ই আগস্ট এর আগে যারা ছিল আওয়ামী লীগ তারা এখন বিএনপির পরিচয় দেয় কিভাবে এটা পরিচয় দেয়
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তদন্ত করে দেখা উচিত। আর যারা ভাঙচুরের সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, যারা এই কাজ করেছে তারা, মাদক, ছিনতাইকারী, চাঁদাবাজি, জমি দখল, ডাকাতি, চুরি, এবং অবৈধভাবে পদ্মা থেকে ড্রেজার এর মাধ্যমে বালি উত্তোলনের সাথে জড়িত রয়েছে। এবং পূর্বেও এসব কাজের সাথে এরা জড়িত ছিল। তিনি আরো বলেন , আমলীগের আইয়ুব খান, আকিবুল খান এবং মাসুমের নেতৃত্বে তারেক জিয়ার ছবি এবং বিএনপি অফিস ভাঙচুর করা হয়। ৩১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে এবং ৪০-৫০ জন অজ্ঞাত আসামি। তিনি আরো বলেন , পদ্মার বালু কাটার ইজারা যেখানে নেওয়া হয়েছে সেখানে চর তাহলে বালু কাটে কোথা থেকে। অর্থের মাধ্যমে সাংবাদিক ও প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই তারা এই অবৈধ কাজ করে।

অন্যদিকে এ ব্যাপারে আশিকুজ্জামান শিপু কে জিজ্ঞেসা করলে তিনি বলেন,যুবদলের অফিস ভাংচুরের ব্যাপারে আমি অবগত নেই পরে জানতে পেরেছি।

মানিকগঞ্জ জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কাজী মোশতাক হোসেন দীপু আরো জানান,বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।
বিশেষ করে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবিকে নষ্ট ও ভাংচুর করাতে দলীয় ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে বলে আমি মনে করছি।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলসকায় আতঙ্ক ও থমথম বিরাজমান।

এ বিষয়ে হরিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আফজাল হোসাইন মুঠোফোন বলেন,অফিস ভাংচুরের খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক নিয়ন্ত্রণ আনতে।ভুক্তভোগীদের পক্ষ হতে একটি মামলা রুজ্জু করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন,আমাদের কার্যক্রম চলমান প্রক্রিয়াধীন।