
গাইবান্ধাঝ গাইবান্ধার এনজিইডির তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলী সহ তিনজনের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে সংগৃহীত ৩৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা বহন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে দুদক ।
৫ জানুয়ারী দুদক প্রধান কার্য্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো.তানজির আহম্মেদ এ তথ্য জানিয়েছেন।
মলায় বলা হয়,২০২৫ সালের ১৩ মার্চ তৎকালীন গাইবান্ধা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সাবিউল ইসলাম তার সহযোগি গোবিন্দগঞ্জের মাষ্টারপাড়ার বাসিন্দা শ্রী বাপ্পি কুমার দাস ও তার ছেলে বিন্তু কুমার দাসকে সাথে নিয়ে একটি প্রাইভেট কার নিয়ে রাত প্রায় ১১ টার দিকে নাটোর জেলার সিংড়া থানার চলনবিল গেট এলাকায় নাটোর-বগুড়া মহসড়কে পুলিশের চেকপোষ্ট এ পৌছায় ।
এসময় বক্তব্যরত পুলিশ প্রাইভেট কারে তল্লাসী করে। তল্লাসীর সময় প্রাইভেট কারের পেছনের ডালায় রাখা একটি ব্যাগ পাওয়া যায়। ব্যাগ খুলে দেখা যায় ব্যাগে বিপুল পরিমান নগদ টাকা । বিপুল পিিরমান টাকা সহ সিংড়া থানার পুলিশ নির্বাহী প্রকৌশলী ছাবিউল ইসলাম সহ দুই সহযোগিকে থানায় নিয়ে যায়। তারপর পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তার উপস্থিতিতে টাকা ব্যাগ থেকে টাকা বের করে গণনা করা হলে দেখা যায় ব্যাগে ৩৬ লাখ ৯৫ হাজার ৩ শ টাকা রয়েছে। পুলিশের জিঞ্চাসাবাদে গাড়ি থেকে উদ্ধার করা টাকার উৎস সম্পর্কে সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেনি টাকা বহন কারী নির্বাহী প্রকৌশলী সহ অন্যরা । পরে সিংড়া থানা পুলিশ আদালতের নির্দেশে টাকা গুলো জব্দ করে সোনালী ব্যাংক নাটোর শাখায় জমা দেয়া হয়। মামলার বাদী রাজশাহী সমন্বিত জেলা কার্য্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো.ইসমাইল হোসেন মামলার বিবরনে বলেন ,অভিযুক্ত নির্বাহী প্রকৌশলী দুর্নীতি ,অনিয়ম ও ঘুষের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ গোপন করার উদ্যেশ্যে এই বিপুল পরিমান টাকা নিয়ে তার বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন। এঘটনা মানি লন্ডারিং অপরাধের শামিল । অপর দুই আসামী গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মাষ্টারপাড়ার বাসিন্দা বাপ্পি কুমার ও তার ছেলে বিন্তু কুমার তার অপরাধের সহায়তার করার প্রমান মিলেছে।
এ ঘটনায় নির্বাহী প্রকৌশলী ছাবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে গত ৫ জানুয়ারী মামলা দায়ের করা হয়।
সহিদুল ইসলাম বিভাগীয় প্রতিনিধি রংপুরঃ 



















