০৬:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে ভুয়া এনআইডি করতে এসে রোহিঙ্গা যুবক আটক

  • শেরপুর প্রতিনিধিঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ১১:৪১:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২১৪ বার পড়া হয়েছে

 

শেরপুরঃ শেরপুর জেলা নির্বাচন অফিসে জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্য আবেদন করতে এসে আটক হয়েছেন মো. আমিন (ছদ্মনাম আলম মিয়া) নামের এক রোহিঙ্গা যুবক। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এই ঘটনা ঘটে।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, আটক যুবক নিজের নাম আলম মিয়া এবং বাবার নাম আলী উল্লেখ করে শেরপুর পৌরসভার কসবা মোল্লাপাড়া ও শিবুত্তর এলাকাকে নিজের ভোটার এলাকা হিসেবে দাবি করেন। তবে নথিপত্র ও কথাবার্তা যাচাইয়ের সময় অসঙ্গতি ধরা পড়লে তাকে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একপর্যায়ে তিনি স্বীকার করেন যে, তিনি কক্সবাজারের উখিয়ার টাংহালি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা এবং প্রকৃত নাম মো. আমিন। তার বাবার নাম জাহিদ হোসেন ও মায়ের নাম গুলবাহার।

এ বিষয়ে শেরপুরের অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “সন্দেহজনক কাগজপত্র দেখে আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করি। পরে তিনি নিজেই রোহিঙ্গা পরিচয় স্বীকার করেন। তাকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।”

শেরপুর সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফয়জুর রহমান জানান, “জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্য প্রয়োজনীয় নথি যাচাইয়ের সময় তার কথাবার্তা অসঙ্গত মনে হয়। পরে আসল পরিচয় উদঘাটন করা সম্ভব হয়েছে।”

শেরপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জাহাঙ্গীর আলম খান বলেন, “রোহিঙ্গা যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের পর তার সাথে আরও কেউ জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।”

আটক মো. আমিন বলেন, “আমি কক্সবাজারের উখিয়ার টাংহালি ক্যাম্পে থাকি। এ দেশের নাগরিক হবার আশায় ভোটার আইডি কার্ড করতে শেরপুরে এসেছিলাম। কাজের জন্য পরিচয়পত্র পেলে সুবিধা হবে ভেবেই আলম নামে আবেদন করি।

Tag :
About Author Information

শার্শায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি দখল, স্বজনপ্রীতিতে দোকারঘর বসতবাড়ি নির্মাণ

শেরপুরে ভুয়া এনআইডি করতে এসে রোহিঙ্গা যুবক আটক

প্রকাশের সময়ঃ ১১:৪১:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

শেরপুরঃ শেরপুর জেলা নির্বাচন অফিসে জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্য আবেদন করতে এসে আটক হয়েছেন মো. আমিন (ছদ্মনাম আলম মিয়া) নামের এক রোহিঙ্গা যুবক। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এই ঘটনা ঘটে।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, আটক যুবক নিজের নাম আলম মিয়া এবং বাবার নাম আলী উল্লেখ করে শেরপুর পৌরসভার কসবা মোল্লাপাড়া ও শিবুত্তর এলাকাকে নিজের ভোটার এলাকা হিসেবে দাবি করেন। তবে নথিপত্র ও কথাবার্তা যাচাইয়ের সময় অসঙ্গতি ধরা পড়লে তাকে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একপর্যায়ে তিনি স্বীকার করেন যে, তিনি কক্সবাজারের উখিয়ার টাংহালি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা এবং প্রকৃত নাম মো. আমিন। তার বাবার নাম জাহিদ হোসেন ও মায়ের নাম গুলবাহার।

এ বিষয়ে শেরপুরের অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “সন্দেহজনক কাগজপত্র দেখে আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করি। পরে তিনি নিজেই রোহিঙ্গা পরিচয় স্বীকার করেন। তাকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।”

শেরপুর সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফয়জুর রহমান জানান, “জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্য প্রয়োজনীয় নথি যাচাইয়ের সময় তার কথাবার্তা অসঙ্গত মনে হয়। পরে আসল পরিচয় উদঘাটন করা সম্ভব হয়েছে।”

শেরপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জাহাঙ্গীর আলম খান বলেন, “রোহিঙ্গা যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের পর তার সাথে আরও কেউ জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।”

আটক মো. আমিন বলেন, “আমি কক্সবাজারের উখিয়ার টাংহালি ক্যাম্পে থাকি। এ দেশের নাগরিক হবার আশায় ভোটার আইডি কার্ড করতে শেরপুরে এসেছিলাম। কাজের জন্য পরিচয়পত্র পেলে সুবিধা হবে ভেবেই আলম নামে আবেদন করি।