০৩:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে জেলা পরিষদের উদ্যোগে ঝিনাইগাতীর পাহাড়ি কৃষকদের মাঝে জগ লাইট বিতরণ

  • শেরপুর প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময়ঃ ০৬:১৭:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫০ বার পড়া হয়েছে

 

শেরপুরঃ শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার পাহাড়ি এলাকার কৃষকদের ফসল ও বসতবাড়ি বন্যহাতির আক্রমণ থেকে রক্ষায় আলোর ব্যবস্থা জোরদার করতে কৃষকদের মাঝে জগ লাইট বিতরণ করেছে শেরপুর জেলা পরিষদ।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) শেরপুর জেলা পরিষদের উদ্যোগে ঝিনাইগাতী উপজেলার পাহাড়ি এলাকার কৃষকদের হাতে এসব জগ লাইট তুলে দেন জেলা পরিষদের প্রশাসক এ.বি.এম. মামুনুর রশিদ পলাশ।

পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষকদের দীর্ঘদিনের অন্যতম প্রধান সমস্যা বন্যহাতির উপদ্রব। সন্ধ্যার পর কিংবা গভীর রাতে পাহাড় থেকে হাতির পাল নেমে এসে কৃষকের ফসলি জমি ও বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। এতে একদিকে যেমন কৃষকের কষ্টার্জিত ফসল নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে বাড়ছে জানমালের নিরাপত্তাঝুঁকি।

কৃষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বন্যহাতির আক্রমণ থেকে ফসল ও বসতবাড়ি রক্ষায় রাতের বেলায় পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জগ লাইট বিতরণকালে জেলা পরিষদ প্রশাসক এ.বি.এম. মামুনুর রশিদ পলাশ বলেন, “পাহাড়ি কৃষকদের কষ্ট ও ক্ষয়ক্ষতি কমাতে তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। কৃষকের ফসল রক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। কৃষক বাঁচলে বাঁচবে কৃষি, আর কৃষি বাঁচলেই সমৃদ্ধ হবে শেরপুর।”

তিনি আরও বলেন, পাহাড়ি এলাকার কৃষকদের জীবন ও জীবিকার সঙ্গে কৃষি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বন্যহাতির কারণে যাতে তাদের উৎপাদিত ফসল নষ্ট না হয় এবং কৃষকরা নিরাপদে বসবাস ও চাষাবাদ করতে পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ অব্যাহত রাখা হবে।

জগ লাইট পেয়ে পাহাড়ি এলাকার কৃষকরা জেলা পরিষদের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তাদের আশা, রাতের বেলায় আলো ব্যবহার করে বন্যহাতির গতিবিধি সম্পর্কে আগাম সতর্ক হওয়া এবং হাতির আক্রমণ থেকে ফসল ও বসতবাড়ি রক্ষায় এ লাইট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দীপঙ্কর রায়, ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল-আমিন, জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী নাজমুল হাসান, সার্ভেয়ার সাইফুল ইসলামসহ জেলা পরিষদের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাভারে বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ কর্মসূচি

শেরপুরে জেলা পরিষদের উদ্যোগে ঝিনাইগাতীর পাহাড়ি কৃষকদের মাঝে জগ লাইট বিতরণ

প্রকাশের সময়ঃ ০৬:১৭:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

শেরপুরঃ শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার পাহাড়ি এলাকার কৃষকদের ফসল ও বসতবাড়ি বন্যহাতির আক্রমণ থেকে রক্ষায় আলোর ব্যবস্থা জোরদার করতে কৃষকদের মাঝে জগ লাইট বিতরণ করেছে শেরপুর জেলা পরিষদ।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) শেরপুর জেলা পরিষদের উদ্যোগে ঝিনাইগাতী উপজেলার পাহাড়ি এলাকার কৃষকদের হাতে এসব জগ লাইট তুলে দেন জেলা পরিষদের প্রশাসক এ.বি.এম. মামুনুর রশিদ পলাশ।

পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষকদের দীর্ঘদিনের অন্যতম প্রধান সমস্যা বন্যহাতির উপদ্রব। সন্ধ্যার পর কিংবা গভীর রাতে পাহাড় থেকে হাতির পাল নেমে এসে কৃষকের ফসলি জমি ও বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। এতে একদিকে যেমন কৃষকের কষ্টার্জিত ফসল নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে বাড়ছে জানমালের নিরাপত্তাঝুঁকি।

কৃষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বন্যহাতির আক্রমণ থেকে ফসল ও বসতবাড়ি রক্ষায় রাতের বেলায় পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জগ লাইট বিতরণকালে জেলা পরিষদ প্রশাসক এ.বি.এম. মামুনুর রশিদ পলাশ বলেন, “পাহাড়ি কৃষকদের কষ্ট ও ক্ষয়ক্ষতি কমাতে তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। কৃষকের ফসল রক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। কৃষক বাঁচলে বাঁচবে কৃষি, আর কৃষি বাঁচলেই সমৃদ্ধ হবে শেরপুর।”

তিনি আরও বলেন, পাহাড়ি এলাকার কৃষকদের জীবন ও জীবিকার সঙ্গে কৃষি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বন্যহাতির কারণে যাতে তাদের উৎপাদিত ফসল নষ্ট না হয় এবং কৃষকরা নিরাপদে বসবাস ও চাষাবাদ করতে পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ অব্যাহত রাখা হবে।

জগ লাইট পেয়ে পাহাড়ি এলাকার কৃষকরা জেলা পরিষদের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তাদের আশা, রাতের বেলায় আলো ব্যবহার করে বন্যহাতির গতিবিধি সম্পর্কে আগাম সতর্ক হওয়া এবং হাতির আক্রমণ থেকে ফসল ও বসতবাড়ি রক্ষায় এ লাইট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দীপঙ্কর রায়, ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল-আমিন, জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী নাজমুল হাসান, সার্ভেয়ার সাইফুল ইসলামসহ জেলা পরিষদের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।