০৮:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মানিকগঞ্জের ভাতছালা বিলের জলাভূমি সুরক্ষায় কৃষকদের মানববন্ধন

 

মানিকগঞ্জঃ মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার ভাতচালা বিলে জলাভূমি সুরক্ষায় কৃষক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১ ঘটিকার সময় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা বারসিক ও গ্রিন কোয়ালিশণ যৌথ ভাবে এই কৃষক বন্ধনের আয়োজন করে।

পর্যন্ত বিশ্ব জলাভূমি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে কৃষকবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। হরিরামপুর উপজেলা গ্রিন কোয়ালিশন সদস্য সচিব বাপ্পি খান এর সভাপতিত্বে ও বারসিক কর্মকর্তা সত্ত রঞ্জন সাহার সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বারসিক আঞ্চলিক সমন্বয়কারী বিমল চন্দ্র রায়। কর্মসূচির ধারণাপত্র পাঠ করেন বারসিক প্রকল্প কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম।

জলাভূমির একাল সেকালের গল্পকথায় অংশগ্রহণ করেন
সংগ্রামী কৃষক নেতা শাজাহান বিশ্বাস, সাজুদুল ইসলাম, ছখিনা বেগম, সুরহাব হোসেন,, ইয়ুথ গ্রীণ ক্লাবের মো. আব্দুর রহিম,বারসিক কর্মকর্তা সুবীর সরকার, সত্যরঞ্জন সাহা ও মুকতার হোসেন প্রমুখ।

বক্তারা বলেন ভাতচালা বিলে পানি থাকলে জলি আমন ধান দিঘা, ভাউয়্যালা ধান, দেশীয় মাছ প্রকৃতি রক্ষা হবে। আমাদের চকের কৃষকের বন্ধু শামুখ, ঝিনুক, কাকরা, কুইচা, যোক, ব্যাঙ, সাপ, বেজি, গুইসাপ, দেশীয় মাছ, পাখিসহ পোকামাকর রক্ষা হবে।

স্থানীয় কৃষকগণ প্রাণ প্রকৃতি সুরক্ষা ও বৈচিত্র্যময় ফসল চাষ এবং লোকায়ত চর্চার তথ্য আদান প্রদান করেন।চকে আমরা চাষ করি খেসারী, মুসুর, মটরকলই, তিল, তিশি, পিয়াজ, রসুন, মরিচ, ধনিয়া, কালোজিরা, মেথি, গম, পায়রা, আমন মৌসুমে গভীর পানির হিজল দিঘা, দিঘা, ভাইয়াল্যা ধান ও শাক সবজি চাষ করেন।আমরা বীজবৈচিত্র্য রেখে মাটির ধরন অনুযায়ী দেশীয় ফসল চাষ করি। আর ভাত ছালা বিলের মাটি অত্যন্ত উর্বর হওয়ায় আমাদের ফসল চাষে রাসায়নিক সার বিষ লাগেনা।এই চকে আমরা ফসল চাষ করে খুবই লাভবান হই।
সরকারের নিকট আমাদের দাবি চকে পানি থাকলে সকল প্রাণ সম্পদ রক্ষা হবে। এজন্য বর্তমানে ভাতচালা চকে পানি না থাকার কারণে চাষাবাদ সমস্যা হয়।নিচের পানি তুলে চাষাবাদ করতে হয়, ফলে ফসলের উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়।

এলাকাবাসির দাবি আমাদের চকে পানি আসার জন্য ইছামতি নদীতে পানি প্রবাহের ব্যবস্থা করতে হবে।ইছামতি নদীর পানি প্রবাহ থাকলে ভাতছালা বিলে পানি আসবে। সকল প্রাণ প্রকৃতির সুরক্ষা হবে।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

সাতক্ষীরায় জাকারিয়া হত্যার প্রতিবাদে প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন

মানিকগঞ্জের ভাতছালা বিলের জলাভূমি সুরক্ষায় কৃষকদের মানববন্ধন

প্রকাশের সময়ঃ ০৭:৫৭:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

মানিকগঞ্জঃ মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার ভাতচালা বিলে জলাভূমি সুরক্ষায় কৃষক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১ ঘটিকার সময় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা বারসিক ও গ্রিন কোয়ালিশণ যৌথ ভাবে এই কৃষক বন্ধনের আয়োজন করে।

পর্যন্ত বিশ্ব জলাভূমি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে কৃষকবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। হরিরামপুর উপজেলা গ্রিন কোয়ালিশন সদস্য সচিব বাপ্পি খান এর সভাপতিত্বে ও বারসিক কর্মকর্তা সত্ত রঞ্জন সাহার সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বারসিক আঞ্চলিক সমন্বয়কারী বিমল চন্দ্র রায়। কর্মসূচির ধারণাপত্র পাঠ করেন বারসিক প্রকল্প কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম।

জলাভূমির একাল সেকালের গল্পকথায় অংশগ্রহণ করেন
সংগ্রামী কৃষক নেতা শাজাহান বিশ্বাস, সাজুদুল ইসলাম, ছখিনা বেগম, সুরহাব হোসেন,, ইয়ুথ গ্রীণ ক্লাবের মো. আব্দুর রহিম,বারসিক কর্মকর্তা সুবীর সরকার, সত্যরঞ্জন সাহা ও মুকতার হোসেন প্রমুখ।

বক্তারা বলেন ভাতচালা বিলে পানি থাকলে জলি আমন ধান দিঘা, ভাউয়্যালা ধান, দেশীয় মাছ প্রকৃতি রক্ষা হবে। আমাদের চকের কৃষকের বন্ধু শামুখ, ঝিনুক, কাকরা, কুইচা, যোক, ব্যাঙ, সাপ, বেজি, গুইসাপ, দেশীয় মাছ, পাখিসহ পোকামাকর রক্ষা হবে।

স্থানীয় কৃষকগণ প্রাণ প্রকৃতি সুরক্ষা ও বৈচিত্র্যময় ফসল চাষ এবং লোকায়ত চর্চার তথ্য আদান প্রদান করেন।চকে আমরা চাষ করি খেসারী, মুসুর, মটরকলই, তিল, তিশি, পিয়াজ, রসুন, মরিচ, ধনিয়া, কালোজিরা, মেথি, গম, পায়রা, আমন মৌসুমে গভীর পানির হিজল দিঘা, দিঘা, ভাইয়াল্যা ধান ও শাক সবজি চাষ করেন।আমরা বীজবৈচিত্র্য রেখে মাটির ধরন অনুযায়ী দেশীয় ফসল চাষ করি। আর ভাত ছালা বিলের মাটি অত্যন্ত উর্বর হওয়ায় আমাদের ফসল চাষে রাসায়নিক সার বিষ লাগেনা।এই চকে আমরা ফসল চাষ করে খুবই লাভবান হই।
সরকারের নিকট আমাদের দাবি চকে পানি থাকলে সকল প্রাণ সম্পদ রক্ষা হবে। এজন্য বর্তমানে ভাতচালা চকে পানি না থাকার কারণে চাষাবাদ সমস্যা হয়।নিচের পানি তুলে চাষাবাদ করতে হয়, ফলে ফসলের উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়।

এলাকাবাসির দাবি আমাদের চকে পানি আসার জন্য ইছামতি নদীতে পানি প্রবাহের ব্যবস্থা করতে হবে।ইছামতি নদীর পানি প্রবাহ থাকলে ভাতছালা বিলে পানি আসবে। সকল প্রাণ প্রকৃতির সুরক্ষা হবে।