১২:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
দৌলতপুরে ৪ লাখ ৩০ হাজার টাকার অবৈধ জাল জব্দ

যমুনায় অভিযান, জাল পুড়িয়ে ধ্বংস, ইলিশ বিতরণ দরিদ্রের মাঝে

মোঃ চঞ্চল মাহমুদ খান: মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে যমুনা নদী থেকে ৯ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল, ৪০টি চায়না দুয়ারি জাল ও প্রায় ৩০০ গ্রাম ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত জালের আনুমানিক বাজারমূল্য ৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

গত ৯ অক্টোবর মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬-এর অংশ হিসেবে দৌলতপুর উপজেলার যমুনা নদীতে এ অভিযান পরিচালিত হয়। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুরাইয়া আক্তার তন্নীর নেতৃত্বে অভিযানে সহযোগিতা করেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা। এ সময় সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমানসহ মৎস্য দপ্তরের অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

অভিযান শেষে জব্দ করা অবৈধ জাল দৌলতপুর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে জনসমক্ষে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। জব্দ করা ইলিশ মাছ বিতরণ করা হয় একজন অসহায় দরিদ্র ব্যক্তির মধ্যে।

সরকার ঘোষিত মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। এ সময় ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে মাছ আহরণ ও ইলিশের বেচাকেনা-সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে।

মা ইলিশ প্রজনন মৌসুমে নিরাপদে ডিম ছাড়তে পারলে ইলিশের বংশবিস্তার ও উৎপাদন বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে, অবৈধ কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারি জালে ছোট-বড় নানা প্রজাতির মাছ ধরা পড়ায় নদীর মৎস্যসম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ কারণে নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধ এবং প্রজনন মৌসুমে মাছ আহরণ থেকে বিরত থাকা জরুরি।

ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও নদীর মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার পাশাপাশি জেলে, মাছ ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। জনসচেতনতা এবং অবৈধ মাছ আহরণবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকলে দেশের মূল্যবান মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

মা ইলিশ রক্ষা করুন, ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি করুন।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

দুর্গাপূজা উপলক্ষে সাভারে বিএনপি’র উদ্যোগে হিন্দু সম্প্রদায়ের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ

দৌলতপুরে ৪ লাখ ৩০ হাজার টাকার অবৈধ জাল জব্দ

যমুনায় অভিযান, জাল পুড়িয়ে ধ্বংস, ইলিশ বিতরণ দরিদ্রের মাঝে

প্রকাশের সময়ঃ ০৫:৪৮:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

মোঃ চঞ্চল মাহমুদ খান: মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে যমুনা নদী থেকে ৯ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল, ৪০টি চায়না দুয়ারি জাল ও প্রায় ৩০০ গ্রাম ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত জালের আনুমানিক বাজারমূল্য ৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

গত ৯ অক্টোবর মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬-এর অংশ হিসেবে দৌলতপুর উপজেলার যমুনা নদীতে এ অভিযান পরিচালিত হয়। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুরাইয়া আক্তার তন্নীর নেতৃত্বে অভিযানে সহযোগিতা করেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা। এ সময় সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমানসহ মৎস্য দপ্তরের অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

অভিযান শেষে জব্দ করা অবৈধ জাল দৌলতপুর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে জনসমক্ষে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। জব্দ করা ইলিশ মাছ বিতরণ করা হয় একজন অসহায় দরিদ্র ব্যক্তির মধ্যে।

সরকার ঘোষিত মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। এ সময় ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে মাছ আহরণ ও ইলিশের বেচাকেনা-সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে।

মা ইলিশ প্রজনন মৌসুমে নিরাপদে ডিম ছাড়তে পারলে ইলিশের বংশবিস্তার ও উৎপাদন বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে, অবৈধ কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারি জালে ছোট-বড় নানা প্রজাতির মাছ ধরা পড়ায় নদীর মৎস্যসম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ কারণে নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধ এবং প্রজনন মৌসুমে মাছ আহরণ থেকে বিরত থাকা জরুরি।

ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও নদীর মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার পাশাপাশি জেলে, মাছ ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। জনসচেতনতা এবং অবৈধ মাছ আহরণবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকলে দেশের মূল্যবান মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

মা ইলিশ রক্ষা করুন, ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি করুন।