০৪:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শারদীয় দুর্গোৎসবে শিবালয়ের সাত ইউনিয়নে শতরূপার উপহার

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময়ঃ ০৩:০৫:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

মানিকগঞ্জঃ মানুষের প্রতি মমতা আর সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে শারদীয় দুর্গোৎসবে মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং মন্দিরের স্বেচ্ছাসেবকদের ব্যয়ভার বহনে উপহার দিয়েছে শতরূপা মানবিক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন। সংগঠনটির মহাসচিব মোজাম্মেল হোসেন মোল্লার নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় এ উদ্যোগ পরিচালিত হয়।

দীর্ঘদিন ধরে সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে আসছেন মোজাম্মেল হোসেন মোল্লা। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের কল্যাণে তাঁর এ ভূমিকা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছেও প্রশংসা পেয়েছে।

মোজাম্মেল হোসেন মোল্লা বলেন, মানুষের দুঃখ-কষ্টের কোনো ধর্ম নেই। উৎসবের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে পারলেই তার প্রকৃত সার্থকতা। সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখা আমাদের সবার দায়িত্ব।

শারদীয় দুর্গোৎসবে পূজামণ্ডপের স্বেচ্ছাসেবকদের পাশে দাঁড়ানোর এ উদ্যোগে উৎসবসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁদের মতে, এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সামাজিক সৌহার্দ্যকে আরও সুদৃঢ় করে।

মানুষের প্রতি মায়া, ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ নিয়ে শতরূপা মানবিক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের এ কার্যক্রম সমাজের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার দৃষ্টান্ত হয়ে থাকুক—এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

শারদীয় দুর্গোৎসবে শিবালয়ের সাত ইউনিয়নে শতরূপার উপহার

শারদীয় দুর্গোৎসবে শিবালয়ের সাত ইউনিয়নে শতরূপার উপহার

প্রকাশের সময়ঃ ০৩:০৫:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

মানিকগঞ্জঃ মানুষের প্রতি মমতা আর সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে শারদীয় দুর্গোৎসবে মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং মন্দিরের স্বেচ্ছাসেবকদের ব্যয়ভার বহনে উপহার দিয়েছে শতরূপা মানবিক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন। সংগঠনটির মহাসচিব মোজাম্মেল হোসেন মোল্লার নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় এ উদ্যোগ পরিচালিত হয়।

দীর্ঘদিন ধরে সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে আসছেন মোজাম্মেল হোসেন মোল্লা। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের কল্যাণে তাঁর এ ভূমিকা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছেও প্রশংসা পেয়েছে।

মোজাম্মেল হোসেন মোল্লা বলেন, মানুষের দুঃখ-কষ্টের কোনো ধর্ম নেই। উৎসবের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে পারলেই তার প্রকৃত সার্থকতা। সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখা আমাদের সবার দায়িত্ব।

শারদীয় দুর্গোৎসবে পূজামণ্ডপের স্বেচ্ছাসেবকদের পাশে দাঁড়ানোর এ উদ্যোগে উৎসবসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁদের মতে, এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সামাজিক সৌহার্দ্যকে আরও সুদৃঢ় করে।

মানুষের প্রতি মায়া, ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ নিয়ে শতরূপা মানবিক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের এ কার্যক্রম সমাজের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার দৃষ্টান্ত হয়ে থাকুক—এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের।