০৫:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতীয়তাবাদী মোটর চালক দলের অফিসে হামলা; আহত-১

 

ঢাকাঃ আশুলিয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মোটর চালক দল শিমুলিয়া ইউনিয়ন অফিসের দলীয় ব্যানার ও ফেস্টুন ছিড়ে ফেলা সহ সংগঠনটির সহ-সভাপতি হান্নানের ওপর হামলা অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনার কয়েকদিন ভয়ে মুখ খুলতে সাহস না পেলেও গত শনিবার (১৩জুন) সকালে এবিষয়ে সামনে কথা বলেন ভুক্তভোগী। এরআগে ২৯শে জুন আশুলিয়ার শিমুলিয়ার বাড়ইপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, কুরবানির পরের দিন পরিবহন শ্রমিকদের বাবদ ৩৭ হাজার টাকা দেওয়ার জন্য ড্রাইভার ও হেলপারদের নিয়ে আমার অফিসে বসে কথা বলছিলাম। এসময়ে লাঠিসোঁটা নিয়ে ৩০-৪০ জন সন্ত্রাসী এসে অফিস এখানে রাখতে পারবি না এই বলে ব্যানার-ফেস্টুন ছিড়ে ফেলে। আমি এর বাধা দিতে গেলে তারা আমার উপর হামলা চালায়। এবং লাঠিসোঁটা দিয়ে মারধর করে।

এসময়ে আমার কাছে থাকা ৩৭ হাজার টাকা নিয়ে যায়। এতে আমি গুরুতর আহত হই। এই ঘটনার আগে মালিক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের রফিক নামে এক ব্যাক্তি আমার থানা সভাপতিকে ফোনে হুমকি দেয়, উপরের নির্দেশে এখানে অফিস রাখা যাবে না, দ্রুত অফিস সরাতে হবে। আমার কথা হচ্ছে আমার সংগঠন আমি করবো, তাদের সংগঠন তারা করবে। এখানে এতো রেষারেষি কেন। এরপরে শনিবার সকালে অফিসের সামনের মার্কেট মালিক আব্দুস সামাদও এসে আমাকে হুমকি-ধামকি দিয়ে ঘর ছেড়ে দিতে বলে। এবিষয়ে অভিযোগের প্রক্রিয়া চলছে, আমি প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

এবিষয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মোটর চালক দল আশুলিয়া থানা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ নূর হোসেন ভূঁইয়া বলেন, রফিক ও জামাল এরা মেইন রোডে পরিবহন সেক্টর থেকে চাঁদাবাজি করে। উপর মহলের নির্দেশ এখানে অফিস থাকতে পারবে না এই কথা বলে রফিক এরা হামলা করেছে। এই ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

এরপরে অভিযুক্ত রফিকের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, উপর মহল নির্দেশ দিয়েছে, তাই তাদেরকে এখান থেকে অফিস সরাতে বলেছি এবং ব্যানার খুলে ফেলতে বলেছি। আমি কোন হামলা করি নাই এবং ব্যানার ফেস্টুন ছিড়ি নাই।

ফুটপাত দখল করে দোকান থেকে টাকা আদায়কারী আব্দুস সামাদ বলেন, আমি কোন ঝামেলা পছন্দ করি না বিধায় তাদেরকে রুম ছেড়ে দিতে বলেছি। ৩ হাজার করে ভাড়া নিতাম এবং ২০ হাজার টাকা এ্যাডভান্স নিয়েছি, তা দিয়ে দিবো। সরকারি জায়গা দখল করে মার্কেট দিয়ে আপনি টাকা নিতে পারেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের জমি ছিলো, তা সরকারকে দিয়েছি, তো আমার জমির সামনে, এই জন্যে মার্কেট দিয়েছি।

এবিষয়ে আশুলিয়া থানার ওসী মো: তরীকুল ইসলাম বলেন, এঘটনায় অভিযোগ পেলে, তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

শেরপুরে বিশ্ব পর্যটন দিবসে ‘আমাদের শেরপুর’ সেলফি কর্নারের উদ্বোধন

জাতীয়তাবাদী মোটর চালক দলের অফিসে হামলা; আহত-১

প্রকাশের সময়ঃ ১০:২৮:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

 

ঢাকাঃ আশুলিয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মোটর চালক দল শিমুলিয়া ইউনিয়ন অফিসের দলীয় ব্যানার ও ফেস্টুন ছিড়ে ফেলা সহ সংগঠনটির সহ-সভাপতি হান্নানের ওপর হামলা অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনার কয়েকদিন ভয়ে মুখ খুলতে সাহস না পেলেও গত শনিবার (১৩জুন) সকালে এবিষয়ে সামনে কথা বলেন ভুক্তভোগী। এরআগে ২৯শে জুন আশুলিয়ার শিমুলিয়ার বাড়ইপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, কুরবানির পরের দিন পরিবহন শ্রমিকদের বাবদ ৩৭ হাজার টাকা দেওয়ার জন্য ড্রাইভার ও হেলপারদের নিয়ে আমার অফিসে বসে কথা বলছিলাম। এসময়ে লাঠিসোঁটা নিয়ে ৩০-৪০ জন সন্ত্রাসী এসে অফিস এখানে রাখতে পারবি না এই বলে ব্যানার-ফেস্টুন ছিড়ে ফেলে। আমি এর বাধা দিতে গেলে তারা আমার উপর হামলা চালায়। এবং লাঠিসোঁটা দিয়ে মারধর করে।

এসময়ে আমার কাছে থাকা ৩৭ হাজার টাকা নিয়ে যায়। এতে আমি গুরুতর আহত হই। এই ঘটনার আগে মালিক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের রফিক নামে এক ব্যাক্তি আমার থানা সভাপতিকে ফোনে হুমকি দেয়, উপরের নির্দেশে এখানে অফিস রাখা যাবে না, দ্রুত অফিস সরাতে হবে। আমার কথা হচ্ছে আমার সংগঠন আমি করবো, তাদের সংগঠন তারা করবে। এখানে এতো রেষারেষি কেন। এরপরে শনিবার সকালে অফিসের সামনের মার্কেট মালিক আব্দুস সামাদও এসে আমাকে হুমকি-ধামকি দিয়ে ঘর ছেড়ে দিতে বলে। এবিষয়ে অভিযোগের প্রক্রিয়া চলছে, আমি প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

এবিষয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মোটর চালক দল আশুলিয়া থানা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ নূর হোসেন ভূঁইয়া বলেন, রফিক ও জামাল এরা মেইন রোডে পরিবহন সেক্টর থেকে চাঁদাবাজি করে। উপর মহলের নির্দেশ এখানে অফিস থাকতে পারবে না এই কথা বলে রফিক এরা হামলা করেছে। এই ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

এরপরে অভিযুক্ত রফিকের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, উপর মহল নির্দেশ দিয়েছে, তাই তাদেরকে এখান থেকে অফিস সরাতে বলেছি এবং ব্যানার খুলে ফেলতে বলেছি। আমি কোন হামলা করি নাই এবং ব্যানার ফেস্টুন ছিড়ি নাই।

ফুটপাত দখল করে দোকান থেকে টাকা আদায়কারী আব্দুস সামাদ বলেন, আমি কোন ঝামেলা পছন্দ করি না বিধায় তাদেরকে রুম ছেড়ে দিতে বলেছি। ৩ হাজার করে ভাড়া নিতাম এবং ২০ হাজার টাকা এ্যাডভান্স নিয়েছি, তা দিয়ে দিবো। সরকারি জায়গা দখল করে মার্কেট দিয়ে আপনি টাকা নিতে পারেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের জমি ছিলো, তা সরকারকে দিয়েছি, তো আমার জমির সামনে, এই জন্যে মার্কেট দিয়েছি।

এবিষয়ে আশুলিয়া থানার ওসী মো: তরীকুল ইসলাম বলেন, এঘটনায় অভিযোগ পেলে, তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।