০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যে কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিকে ইরান বিজয় হিসেবে দেখছে

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হতে যাওয়া সমঝোতা স্মারককে কোনো ধরনের পিছু হটা নয়, বরং প্রতিরোধ ও বিজয়ের ফলাফল হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে ইরানের নেতৃত্ব। তবে, এই যুক্তি দাঁড় করানো সহজ নয়।

দেশটি সদ্য একটি যুদ্ধ পার করেছে যার ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, অর্থনীতি তীব্র চাপের মধ্যে রয়েছে এবং ইসলামি প্রজাতন্ত্রের নিজস্ব সমর্থকগোষ্ঠীর একটি অংশ কয়েক মাস ধরেই ওয়াশিংটনের সঙ্গে যেকোনো সমঝোতার বিরুদ্ধে কথা বলে আসছে।

দেশের ভেতরে ও বাইরে এমন ইরানিরাও রয়েছেন, যারা এই সংকটকে কূটনীতির মুহূর্ত নয়, বরং শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের সুযোগ হিসেবে দেখেন।

এই বিভক্ত রাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্যেই তেহরান এখন এই চুক্তিটি গ্রহণযোগ্য করার চেষ্টা করছে।

ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা চুক্তিটিকে সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেছেন। পার্লামেন্টের স্পিকার এবং আলোচনায় প্রধান ইরানি ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ এটিকে চূড়ান্ত বিজয়ের পথে একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এই সমঝোতাকে ‘সম্ভাব্য রূপান্তরকারী’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেছেন, এটি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে ইরানের বহু সমস্যা সমাধান হতে পারে এবং ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যে “এক ভিন্ন পৃথিবী তৈরি করতে পারে”।

গালিবাফের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তাকে পেজেশকিয়ানের মধ্যপন্থি শিবিরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হিসেবে দেখা হয় না; তার প্রকাশ্য সমর্থন ইঙ্গিত দেয় যে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের আরও শক্তিশালী অংশ, এমনকি ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডসের ভেতরেও, এই চুক্তির পক্ষে সমর্থন আছে।

সূত্র : বিবিসি

About Author Information

জনপ্রিয়

মাগুরায় যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা

যে কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিকে ইরান বিজয় হিসেবে দেখছে

প্রকাশের সময়ঃ ১১:৩৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হতে যাওয়া সমঝোতা স্মারককে কোনো ধরনের পিছু হটা নয়, বরং প্রতিরোধ ও বিজয়ের ফলাফল হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে ইরানের নেতৃত্ব। তবে, এই যুক্তি দাঁড় করানো সহজ নয়।

দেশটি সদ্য একটি যুদ্ধ পার করেছে যার ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, অর্থনীতি তীব্র চাপের মধ্যে রয়েছে এবং ইসলামি প্রজাতন্ত্রের নিজস্ব সমর্থকগোষ্ঠীর একটি অংশ কয়েক মাস ধরেই ওয়াশিংটনের সঙ্গে যেকোনো সমঝোতার বিরুদ্ধে কথা বলে আসছে।

দেশের ভেতরে ও বাইরে এমন ইরানিরাও রয়েছেন, যারা এই সংকটকে কূটনীতির মুহূর্ত নয়, বরং শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের সুযোগ হিসেবে দেখেন।

এই বিভক্ত রাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্যেই তেহরান এখন এই চুক্তিটি গ্রহণযোগ্য করার চেষ্টা করছে।

ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা চুক্তিটিকে সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেছেন। পার্লামেন্টের স্পিকার এবং আলোচনায় প্রধান ইরানি ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ এটিকে চূড়ান্ত বিজয়ের পথে একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এই সমঝোতাকে ‘সম্ভাব্য রূপান্তরকারী’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেছেন, এটি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে ইরানের বহু সমস্যা সমাধান হতে পারে এবং ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যে “এক ভিন্ন পৃথিবী তৈরি করতে পারে”।

গালিবাফের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তাকে পেজেশকিয়ানের মধ্যপন্থি শিবিরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হিসেবে দেখা হয় না; তার প্রকাশ্য সমর্থন ইঙ্গিত দেয় যে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের আরও শক্তিশালী অংশ, এমনকি ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডসের ভেতরেও, এই চুক্তির পক্ষে সমর্থন আছে।

সূত্র : বিবিসি