০৩:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শনিবার পৃথিবীর পাশ দিয়ে ছুটে যাবে বিশাল গ্রহাণু, দেখা যাবে যেভাবে 

  • ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০৩:৩৬:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
  • ২৮৪ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক নিউজঃ আগামী শনিবার পৃথিবীর পাশ দিয়ে অতিক্রম করবে একটি বিশাল গ্রহাণু। তবে এতে পৃথিবীর জন্য কোনো ধরনের ঝুঁকি নেই। ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা (ইএসএ) জানিয়েছে, উপযুক্ত পরিবেশ থাকলে দূরবীক্ষণ যন্ত্র কিংবা শক্তিশালী বাইনোকুলারের সাহায্যে গ্রহাণুটি দেখা যাবে।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, গ্রিনিচ সময় শনিবার সকাল ১১টা ১৪ মিনিটে ‘(১৫২৬৩৭) ১৯৯৭ এনসি১’ নামের গ্রহাণুটি পৃথিবী থেকে প্রায় ২৫ লাখ ৬০ হাজার কিলোমিটার দূরত্ব দিয়ে অতিক্রম করবে। এই দূরত্ব পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যকার গড় দূরত্বের ছয় গুণেরও বেশি। ফলে গ্রহাণুটির সঙ্গে পৃথিবীর সংঘর্ষের কোনো আশঙ্কা নেই।

১৯৯৭ সালে আবিষ্কৃত এই গ্রহাণুর সম্ভাব্য প্রস্থ ৭৫০ মিটার থেকে ১ হাজার ৬৫০ মিটারের মধ্যে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সূর্যালোক প্রতিফলনের মাত্রা বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা এ অনুমান করেছেন। যদিও ইএসএ জানিয়েছে, অন্য কিছু হিসাব অনুযায়ী এর প্রকৃত আকার তুলনামূলকভাবে ছোটও হতে পারে।

গ্রহাণুটি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯ কিলোমিটার গতিতে চলমান থাকবে। ইএসএর প্ল্যানেটারি ডিফেন্স অফিসের কর্মকর্তা হুয়ান লুইস কানো বলেন, এ ধরনের বড় আকারের কোনো বস্তু পৃথিবীর এত কাছে আসার ঘটনা সাধারণত কয়েক বছর পরপর ঘটে। তবে এ সময় আকাশে উজ্জ্বল চাঁদ থাকায় গ্রহাণুটি দেখতে কিছুটা অসুবিধায় পড়তে হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পৃথিবীর দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় গ্রহাণুটি উত্তর গোলার্ধের বিভিন্ন স্থান থেকে দেখা যাবে। পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে পৌঁছালে বিশ্বের অধিকাংশ অঞ্চল থেকেই এটি দেখা যাবে। পরে পৃথিবী থেকে দূরে সরে যেতে শুরু করলে এটি মূলত দক্ষিণ গোলার্ধের আকাশে দৃশ্যমান থাকবে।

তবে গ্রহাণুটি দেখা যাবে কি না, তা অনেকাংশে নির্ভর করবে স্থানীয় আবহাওয়া ও আকাশের স্বচ্ছতার ওপর। আকাশ পরিষ্কার ও পর্যাপ্ত অন্ধকার থাকলে দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকবে।

About Author Information

জনপ্রিয়

কালিগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস অনুষ্ঠিত

শনিবার পৃথিবীর পাশ দিয়ে ছুটে যাবে বিশাল গ্রহাণু, দেখা যাবে যেভাবে 

প্রকাশের সময়ঃ ০৩:৩৬:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

ডেস্ক নিউজঃ আগামী শনিবার পৃথিবীর পাশ দিয়ে অতিক্রম করবে একটি বিশাল গ্রহাণু। তবে এতে পৃথিবীর জন্য কোনো ধরনের ঝুঁকি নেই। ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা (ইএসএ) জানিয়েছে, উপযুক্ত পরিবেশ থাকলে দূরবীক্ষণ যন্ত্র কিংবা শক্তিশালী বাইনোকুলারের সাহায্যে গ্রহাণুটি দেখা যাবে।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, গ্রিনিচ সময় শনিবার সকাল ১১টা ১৪ মিনিটে ‘(১৫২৬৩৭) ১৯৯৭ এনসি১’ নামের গ্রহাণুটি পৃথিবী থেকে প্রায় ২৫ লাখ ৬০ হাজার কিলোমিটার দূরত্ব দিয়ে অতিক্রম করবে। এই দূরত্ব পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যকার গড় দূরত্বের ছয় গুণেরও বেশি। ফলে গ্রহাণুটির সঙ্গে পৃথিবীর সংঘর্ষের কোনো আশঙ্কা নেই।

১৯৯৭ সালে আবিষ্কৃত এই গ্রহাণুর সম্ভাব্য প্রস্থ ৭৫০ মিটার থেকে ১ হাজার ৬৫০ মিটারের মধ্যে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সূর্যালোক প্রতিফলনের মাত্রা বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা এ অনুমান করেছেন। যদিও ইএসএ জানিয়েছে, অন্য কিছু হিসাব অনুযায়ী এর প্রকৃত আকার তুলনামূলকভাবে ছোটও হতে পারে।

গ্রহাণুটি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯ কিলোমিটার গতিতে চলমান থাকবে। ইএসএর প্ল্যানেটারি ডিফেন্স অফিসের কর্মকর্তা হুয়ান লুইস কানো বলেন, এ ধরনের বড় আকারের কোনো বস্তু পৃথিবীর এত কাছে আসার ঘটনা সাধারণত কয়েক বছর পরপর ঘটে। তবে এ সময় আকাশে উজ্জ্বল চাঁদ থাকায় গ্রহাণুটি দেখতে কিছুটা অসুবিধায় পড়তে হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পৃথিবীর দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় গ্রহাণুটি উত্তর গোলার্ধের বিভিন্ন স্থান থেকে দেখা যাবে। পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে পৌঁছালে বিশ্বের অধিকাংশ অঞ্চল থেকেই এটি দেখা যাবে। পরে পৃথিবী থেকে দূরে সরে যেতে শুরু করলে এটি মূলত দক্ষিণ গোলার্ধের আকাশে দৃশ্যমান থাকবে।

তবে গ্রহাণুটি দেখা যাবে কি না, তা অনেকাংশে নির্ভর করবে স্থানীয় আবহাওয়া ও আকাশের স্বচ্ছতার ওপর। আকাশ পরিষ্কার ও পর্যাপ্ত অন্ধকার থাকলে দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকবে।