১২:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আশুলিয়ায় পুত্রবধুর হাতে শাশুড়ী হত্যা, ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে  দাফন কাজ সম্পন্ন 

ঢাকাঃ আশুলিয়া শাশুড়ীকে হত্যা পর ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে লাশ দাফনের ঘটনায় পুত্র বধুকে গ্রেফতার করেছে আশুলিয়া থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (০২ জুলাই)  দুপুরে গ্রেফতারকৃত আসামিকে জবান বন্দির জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে। গত মঙ্গলবার শিমুলিয়া ইউনিয়নের পাড়াগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সখিনা বেগম (৬০) শিমুলিয়ার পাড়াগ্রাম এলাকার মোঃ মনছের আলীর স্ত্রী। গ্রেফতারকৃত মুক্তা আক্তার (২২) গাজীপুরে কালিয়াকৈর থানার আশাপুর গ্রামের মেয়ে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে তুচ্ছ বিয়ষ নিয়ে শাশুড়ী বৌয়ের মধ্যে ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে বৌ শাশুড়ীকে গলাটিপে শ্বাসরোধ করিলে ধস্তাধস্তির রক্ষা পেলেও গুরুতর আহত হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। এরপর বিষয়টিকে ভীন্ন খাতে প্রবাহিত করে স্বামীকে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করার পর মরদেহ বাড়িতে এনে স্বাভাবিক ভাবে দাফন কাজ সম্পন্ন করা হয়।

পরের দিন ঘাতক কথোপকথনের এক পর্যায়ে নিহতের ছেলে স্বামীকে শাশুড়ীকে গলা টিপে অজ্ঞান করার কথা বলে দেয়। এরপর নিহতের ছেলে ঘটনার কথা সবাইকে বলার পর পুলিশে খবর দিলে পুলিশ আসামিকে থানা নিয়ে আসে।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

শেরপুরে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের যৌথ প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ

আশুলিয়ায় পুত্রবধুর হাতে শাশুড়ী হত্যা, ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে  দাফন কাজ সম্পন্ন 

প্রকাশের সময়ঃ ০৪:৩৭:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

ঢাকাঃ আশুলিয়া শাশুড়ীকে হত্যা পর ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে লাশ দাফনের ঘটনায় পুত্র বধুকে গ্রেফতার করেছে আশুলিয়া থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (০২ জুলাই)  দুপুরে গ্রেফতারকৃত আসামিকে জবান বন্দির জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে। গত মঙ্গলবার শিমুলিয়া ইউনিয়নের পাড়াগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সখিনা বেগম (৬০) শিমুলিয়ার পাড়াগ্রাম এলাকার মোঃ মনছের আলীর স্ত্রী। গ্রেফতারকৃত মুক্তা আক্তার (২২) গাজীপুরে কালিয়াকৈর থানার আশাপুর গ্রামের মেয়ে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে তুচ্ছ বিয়ষ নিয়ে শাশুড়ী বৌয়ের মধ্যে ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে বৌ শাশুড়ীকে গলাটিপে শ্বাসরোধ করিলে ধস্তাধস্তির রক্ষা পেলেও গুরুতর আহত হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। এরপর বিষয়টিকে ভীন্ন খাতে প্রবাহিত করে স্বামীকে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করার পর মরদেহ বাড়িতে এনে স্বাভাবিক ভাবে দাফন কাজ সম্পন্ন করা হয়।

পরের দিন ঘাতক কথোপকথনের এক পর্যায়ে নিহতের ছেলে স্বামীকে শাশুড়ীকে গলা টিপে অজ্ঞান করার কথা বলে দেয়। এরপর নিহতের ছেলে ঘটনার কথা সবাইকে বলার পর পুলিশে খবর দিলে পুলিশ আসামিকে থানা নিয়ে আসে।