০৫:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিড ডে মিল: শিশুর পুষ্টি ও শিক্ষার পথে নতুন সম্ভাবনা ; মো: রবিউল আউয়াল

  • মো: রবিউল আউয়াল
  • প্রকাশের সময়ঃ ০৯:৩৫:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৪৩ বার পড়া হয়েছে

 

মানিকগঞ্জঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের জন্য মিড ডে মিল শুধু একবেলা খাবারের ব্যবস্থা নয়; এটি শিশুর সুস্বাস্থ্য, মনোযোগ ও বিদ্যালয়মুখী হওয়ার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। একটি পুষ্টিকর খাবার শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে এবং শ্রেণিকক্ষে শেখার আগ্রহ বাড়াতে সহায়তা করে।

অনেক শিশু খালি পেটে বিদ্যালয়ে আসে। ক্ষুধার কারণে তাদের মনোযোগ কমে যায়, ক্লান্তি আসে এবং পাঠে অংশগ্রহণ ব্যাহত হয়। বিদ্যালয়ে পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করা গেলে শিশুর ক্ষুধা দূর হওয়ার পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষে সক্রিয়তা ও উপস্থিতি বাড়তে পারে। একই সঙ্গে ঝরে পড়ার প্রবণতা কমানো এবং বিদ্যালয়ের প্রতি শিশুদের ইতিবাচক মনোভাব তৈরিতেও মিড ডে মিল কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

মিড ডে মিলের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—শিশুদের মধ্যে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, পরিচ্ছন্নতা, শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক সহযোগিতার অভ্যাস গড়ে তোলা। সুষম খাবারের মাধ্যমে শিশুর পুষ্টির ঘাটতি পূরণে সহায়তা করা সম্ভব, যা দীর্ঘমেয়াদে একটি সুস্থ ও মেধাবী প্রজন্ম গঠনে অবদান রাখবে।

তাই মিড ডে মিলকে শুধু খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি হিসেবে না দেখে ‘সুস্থ শিশু, মনোযোগী শিক্ষার্থী ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ’ গড়ার বিনিয়োগ হিসেবে দেখা প্রয়োজন। মানসম্মত ও পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করতে বিদ্যালয়, পরিবার ও স্থানীয় সমাজের সম্মিলিত সহযোগিতাই পারে এই উদ্যোগকে আরও সফল করে তুলতে।

লেখক:
মো: রবিউল আউয়াল
সহকারী শিক্ষক
গংগাপ্রসাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিবালয়, মানিকগঞ্জ।

 

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

কালিগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস অনুষ্ঠিত

মিড ডে মিল: শিশুর পুষ্টি ও শিক্ষার পথে নতুন সম্ভাবনা ; মো: রবিউল আউয়াল

প্রকাশের সময়ঃ ০৯:৩৫:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

মানিকগঞ্জঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের জন্য মিড ডে মিল শুধু একবেলা খাবারের ব্যবস্থা নয়; এটি শিশুর সুস্বাস্থ্য, মনোযোগ ও বিদ্যালয়মুখী হওয়ার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। একটি পুষ্টিকর খাবার শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে এবং শ্রেণিকক্ষে শেখার আগ্রহ বাড়াতে সহায়তা করে।

অনেক শিশু খালি পেটে বিদ্যালয়ে আসে। ক্ষুধার কারণে তাদের মনোযোগ কমে যায়, ক্লান্তি আসে এবং পাঠে অংশগ্রহণ ব্যাহত হয়। বিদ্যালয়ে পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করা গেলে শিশুর ক্ষুধা দূর হওয়ার পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষে সক্রিয়তা ও উপস্থিতি বাড়তে পারে। একই সঙ্গে ঝরে পড়ার প্রবণতা কমানো এবং বিদ্যালয়ের প্রতি শিশুদের ইতিবাচক মনোভাব তৈরিতেও মিড ডে মিল কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

মিড ডে মিলের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—শিশুদের মধ্যে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, পরিচ্ছন্নতা, শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক সহযোগিতার অভ্যাস গড়ে তোলা। সুষম খাবারের মাধ্যমে শিশুর পুষ্টির ঘাটতি পূরণে সহায়তা করা সম্ভব, যা দীর্ঘমেয়াদে একটি সুস্থ ও মেধাবী প্রজন্ম গঠনে অবদান রাখবে।

তাই মিড ডে মিলকে শুধু খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি হিসেবে না দেখে ‘সুস্থ শিশু, মনোযোগী শিক্ষার্থী ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ’ গড়ার বিনিয়োগ হিসেবে দেখা প্রয়োজন। মানসম্মত ও পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করতে বিদ্যালয়, পরিবার ও স্থানীয় সমাজের সম্মিলিত সহযোগিতাই পারে এই উদ্যোগকে আরও সফল করে তুলতে।

লেখক:
মো: রবিউল আউয়াল
সহকারী শিক্ষক
গংগাপ্রসাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিবালয়, মানিকগঞ্জ।