০২:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডিজিএফআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা আফজাল নাছেরের বিরুদ্ধে আবারও ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন

  • আব্দুর রহমান
  • প্রকাশের সময়ঃ ০৪:৪১:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৪০ বার পড়া হয়েছে

 

ঢাকাঃ রাজধানীর পল্টনে বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সহিংসতা ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মো. আফজাল নাছেরের (৬১) বিরুদ্ধে নতুন করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। মামলার গভীর তদন্ত এবং ঘটনার নেপথ্যের তথ্য উদঘাটনের স্বার্থে এই আবেদন করা হয়।

বুধবার (৮ এপ্রিল) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাব-ইন্সপেক্টর মো. তোফাজ্জল হোসেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ আবেদন দাখিল করেন।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, পল্টন মডেল থানায় দায়েরকৃত মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং এতে দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারা ছাড়াও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশকে ঘিরে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। এসময় বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পাশাপাশি লাঠিচার্জ, ককটেল বিস্ফোরণ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ এবং গুলিবর্ষণের ফলে বহু নেতাকর্মী আহত হন এবং মকবুল নামের এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন।

এ ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৫৬ জনকে আসামি করা হয়েছে, পাশাপাশি অজ্ঞাতপরিচয়ের আরও ৫০০ থেকে ৬০০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, সমাবেশ ভণ্ডুল করা এবং বিরোধী পক্ষকে দমনের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়।

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, মামলার ১৪৭ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি আফজাল নাছের বর্তমানে ইউনাইটেড গ্রুপের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর (অ্যাডমিন) হিসেবে কর্মরত। তার পূর্ববর্তী দায়িত্ব ও প্রভাব কাজে লাগিয়ে তিনি ঘটনাটির নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

বর্তমানে মামলাটি ডিএমপির গোয়েন্দা-মতিঝিল বিভাগে তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন, অন্যান্য জড়িতদের শনাক্তকরণ, অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার এবং অর্থের উৎস ও নির্দেশদাতাদের চিহ্নিত করতে আসামিকে পুনরায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

এ অবস্থায় তদন্ত কর্মকর্তা আদালতের কাছে আফজাল নাছেরকে আবারও সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি চেয়েছেন।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

শেরপুরে দরিদ্র রোগী ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে জেলা পরিষদের আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ

ডিজিএফআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা আফজাল নাছেরের বিরুদ্ধে আবারও ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন

প্রকাশের সময়ঃ ০৪:৪১:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

 

ঢাকাঃ রাজধানীর পল্টনে বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সহিংসতা ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মো. আফজাল নাছেরের (৬১) বিরুদ্ধে নতুন করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। মামলার গভীর তদন্ত এবং ঘটনার নেপথ্যের তথ্য উদঘাটনের স্বার্থে এই আবেদন করা হয়।

বুধবার (৮ এপ্রিল) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাব-ইন্সপেক্টর মো. তোফাজ্জল হোসেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ আবেদন দাখিল করেন।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, পল্টন মডেল থানায় দায়েরকৃত মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং এতে দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারা ছাড়াও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশকে ঘিরে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। এসময় বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পাশাপাশি লাঠিচার্জ, ককটেল বিস্ফোরণ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ এবং গুলিবর্ষণের ফলে বহু নেতাকর্মী আহত হন এবং মকবুল নামের এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন।

এ ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৫৬ জনকে আসামি করা হয়েছে, পাশাপাশি অজ্ঞাতপরিচয়ের আরও ৫০০ থেকে ৬০০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, সমাবেশ ভণ্ডুল করা এবং বিরোধী পক্ষকে দমনের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়।

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, মামলার ১৪৭ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি আফজাল নাছের বর্তমানে ইউনাইটেড গ্রুপের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর (অ্যাডমিন) হিসেবে কর্মরত। তার পূর্ববর্তী দায়িত্ব ও প্রভাব কাজে লাগিয়ে তিনি ঘটনাটির নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

বর্তমানে মামলাটি ডিএমপির গোয়েন্দা-মতিঝিল বিভাগে তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন, অন্যান্য জড়িতদের শনাক্তকরণ, অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার এবং অর্থের উৎস ও নির্দেশদাতাদের চিহ্নিত করতে আসামিকে পুনরায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

এ অবস্থায় তদন্ত কর্মকর্তা আদালতের কাছে আফজাল নাছেরকে আবারও সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি চেয়েছেন।