০৪:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চার গোল করে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ইতিহাস গড়ল যুক্তরাষ্ট্র

  • ক্রিড়া ডেস্ক
  • প্রকাশের সময়ঃ ১১:৩৩:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
  • ৮৮ বার পড়া হয়েছে

ক্রিড়া ডেস্কঃ ঘরের মাঠে বিশ্বকাপের মঞ্চে মাঠে নেমেই ইতিহাস গড়ল যুক্তরাষ্ট্র। প্যারাগুয়েকে ৪–১ গোলে হারাল মরিসিও পচেত্তিনোর দল। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই প্রথম প্রতিপক্ষের জালে চার গোল করল মার্কিনিরা।

যুক্তরাষ্ট্র শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল। মাত্র ৭ মিনিটেই এগিয়ে যায় তারা। ম্যাককেনির পাস পেয়ে পুলিসিক দুই ডিফেন্ডার কাটিয়ে ম্যাককেনিকে পাস দিতে চেয়েছিলেন। সেই পাস ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজ জালে বল জড়িয়ে দেন দুর্ভাগা বোবাদিয়া।

এরপর ফ্লোরিয়ান বালোগানের একটি গোল অফসাইডে বাতিল হয়। তবে দ্বিতীয় গোল আসতে বেশি দেরি হয়নি। পুলিসিকের পাস থেকে বক্সে ডিফেন্স লাইনের পেছনে থেকে প্রথম ছোঁয়াতেই গোল করেন বালোগান। প্রথমার্ধের একেবারে শেষে বক্সে দুই ডিফেন্ডারকে ঠান্ডা মাথায় ধোঁকা দিয়ে আবারও গোল করেন তিনি। প্রথমার্ধ শেষে যুক্তরাষ্ট্র এগিয়ে ছিল ৩-০ গোলে।

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে কিছুটা বিতর্কও এসেছে। আলমিরনের অভিনয়ের কারণে প্রথমে রিমকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। তবে ভিএআর দেখে সিদ্ধান্ত বদলে রিমের কার্ড বাতিল করা হয়। উল্টো অভিনয়ের দায়ে হলুদ কার্ড দেখেন আলমিরন নিজেই।

বদলি হিসেবে নেমে প্যারাগুয়েকে ম্যাচে ফেরান মাউরিসিও। আলমিরনের পাস থেকে দারুণ ফিনিশে গোল করে স্কোর করেন ৩-১। তবে ম্যাচের একেবারে শেষ আক্রমণে জিও রেইনার গোলে স্কোর হয় ৪-১। আর তাতেই বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের এক ম্যাচে সর্বোচ্চ গোলের ইতিহাস রচিত হয়।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে  ‘বাউল বিসর্গ’ অনুষ্ঠিত

চার গোল করে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ইতিহাস গড়ল যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশের সময়ঃ ১১:৩৩:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

ক্রিড়া ডেস্কঃ ঘরের মাঠে বিশ্বকাপের মঞ্চে মাঠে নেমেই ইতিহাস গড়ল যুক্তরাষ্ট্র। প্যারাগুয়েকে ৪–১ গোলে হারাল মরিসিও পচেত্তিনোর দল। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই প্রথম প্রতিপক্ষের জালে চার গোল করল মার্কিনিরা।

যুক্তরাষ্ট্র শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল। মাত্র ৭ মিনিটেই এগিয়ে যায় তারা। ম্যাককেনির পাস পেয়ে পুলিসিক দুই ডিফেন্ডার কাটিয়ে ম্যাককেনিকে পাস দিতে চেয়েছিলেন। সেই পাস ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজ জালে বল জড়িয়ে দেন দুর্ভাগা বোবাদিয়া।

এরপর ফ্লোরিয়ান বালোগানের একটি গোল অফসাইডে বাতিল হয়। তবে দ্বিতীয় গোল আসতে বেশি দেরি হয়নি। পুলিসিকের পাস থেকে বক্সে ডিফেন্স লাইনের পেছনে থেকে প্রথম ছোঁয়াতেই গোল করেন বালোগান। প্রথমার্ধের একেবারে শেষে বক্সে দুই ডিফেন্ডারকে ঠান্ডা মাথায় ধোঁকা দিয়ে আবারও গোল করেন তিনি। প্রথমার্ধ শেষে যুক্তরাষ্ট্র এগিয়ে ছিল ৩-০ গোলে।

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে কিছুটা বিতর্কও এসেছে। আলমিরনের অভিনয়ের কারণে প্রথমে রিমকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। তবে ভিএআর দেখে সিদ্ধান্ত বদলে রিমের কার্ড বাতিল করা হয়। উল্টো অভিনয়ের দায়ে হলুদ কার্ড দেখেন আলমিরন নিজেই।

বদলি হিসেবে নেমে প্যারাগুয়েকে ম্যাচে ফেরান মাউরিসিও। আলমিরনের পাস থেকে দারুণ ফিনিশে গোল করে স্কোর করেন ৩-১। তবে ম্যাচের একেবারে শেষ আক্রমণে জিও রেইনার গোলে স্কোর হয় ৪-১। আর তাতেই বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের এক ম্যাচে সর্বোচ্চ গোলের ইতিহাস রচিত হয়।