
নারায়ণগঞ্জঃ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানার নতুন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন আব্দুল বারিক। এর আগে তিনি সিদ্ধিরগঞ্জ থানার (ওসি) হিসেবে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। এসময় অপরাধীদের আতঙ্কে পরিনত হন ওসি আব্দুল বারিক।
চাকুরি জীবনে প্রতিটি ধাপে ধাপে পেশাদারিত্ব, সততা ও নিষ্ঠার সাথে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হন। তার দায়িত্ব পালনে দৃঢ়তা ও মানবিকতার সমন্বয় ঘটিয়ে তিনি নিজেকে একজন চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দায়িত্ব পালনকালে অপরাধ দমন, মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর নেতৃত্বে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে মাদক কারবারি, সন্ত্রাসী ও চিহ্নিত অপরাধীরা আইনের আওতায় আনা হয়।
সাহসিকতা, কৌশল ও দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতার কারণে তিনি সহকর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছেও প্রশংসিত হয়েছেন।
অপরাধ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি সবসময় ছিলেন সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেন।
জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও আব্দুল বারিক ছিলেন সমানভাবে অগ্রগামী। থানাকে জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা, সেবাপ্রার্থীদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ এবং সাধারণ মানুষের সমস্যার দ্রুত সমাধানে তিনি আন্তরিক ভূমিকা পালন করেছেন।
তাঁর অভিজ্ঞতা, নেতৃত্বগুণ ও কর্মদক্ষতার আলোকে সোনারগাঁও থানার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহল। নতুন কর্মস্থলেও তিনি সফলতার ধারাবাহিকতা বজায় রেখে জনগণের নিরাপত্তা ও কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন এমন প্রত্যাশা সবার।
নবনিযুক্ত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল বারিক বলেন, সোনারগাঁও একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। এই থানার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখা এবং সাধারণ মানুষের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই সোনারগাঁয়ে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং ও যেকোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান হবে অর্থাৎ জিরো টলারেন্স। কোনো অপরাধীকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না, সে যে পরিচয়েরই হোক না কেন।
থানাকে পুরোপুরি সাধারণ মানুষের জন্য একটি আস্থার স্থান হিসেবে গড়ে তোলা হবে। সেবাপ্রার্থীদের হয়রানিমুক্ত ও নির্বিঘ্নে আইনি সেবা নিশ্চিত করা হবে।
সোনারগাঁওকে একটি অপরাধমুক্ত, শান্তিময় ও নিরাপদ এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী এবং সর্বস্তরের সচেতন মহলের আন্তরিক সহায়তা ও সহযোগিতা কামনা করেন তিনি ।
স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ 


















